বিজয় দিবসে লিপি তার বাবার সাথে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে যায়। বাবা তাকে বুঝিয়ে দেন সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের প্রতীক হিসেবে নির্মিত হয়েছে এর সাতটি স্তম্ভ। তখন লিপির মনে কৌতূহল জাগে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরসহ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত। অন্যান্য স্থাপনা ঘুরে দেখার। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষাণের ভাস্কর্যটি তাকে গভীরভাবে আকৃষ্ট করে। মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে স্বাধীনতার মহানায়ককে নিয়ে স্বপ্নের জাল বুনতে বুনতে তারা পৌঁছে যায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে। সেখানে '৭১-এর হানাদারদের অত্যাচারের চিত্র দেখে লিপি অনেকক্ষণ হতবাক থেকে বলে ওঠে, 'কী ভয়াবহ নিষ্ঠুরতা!'
উদ্দীপকের নির্মমতার চিত্র 'এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' রচনায় বর্ণিত চিত্রের সমান্তরাল বলা যায়।
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর থেকে পশ্চিম পাকিস্তানিরা বাঙালির ওপর নানা অবিচার, বঞ্চনা, নিপীড়ন চালিয়ে আসছিল। বাঙালি জাতি তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। একের পর এক নিপীড়িত ও নির্যাতিত হতে হতে তারা সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
উদ্দীপকে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে সংরক্ষিত মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাদের অত্যাচারের চিত্রের কথা বলা হয়েছে, যা দেখে লিপি হতবাক হয়ে যায়। এ বিষয়টি 'এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' রচনায় বর্ণিত চিত্রের সমান্তরাল বলা যায়। কারণ বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের মধ্যে বাঙালির উপর পাকিস্তানিদের নানা অত্যাচারের কথা উপস্থাপিত হয়েছে।
শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন একজন দূরদর্শী দেশনেতা। তিনি পাকিস্তানিদের আচরণ ও কার্যকলাপ দেখে আগে থেকেই তাদের দুরভিসন্ধি আঁচ করতে পেরেছিলেন। তাদের কৃতকর্ম অর্থাৎ নানা অত্যাচার যেমন বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানসহ নানা অত্যাচারের কথা প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে উপস্থাপন করেছেন, যা উদ্দীপকের নিষ্ঠুরতার চিত্রের সমান্তরাল।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?